মহাপরিকল্পনা নিয়ে শুরু হচ্ছে স্কুল দাবা

জাতীয় দেশজুড়ে

মহাপরিকল্পনা নিয়ে আগামী ২৩ জুলাই থেকে মার্কস অ্যাকটিভ স্কুল দাবা চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২২ শুরু হচ্ছে। সেপ্টেম্বরের মধ্যে জেলা ও বিভাগীয় পর্যায় শেষে রাজধানী ঢাকায় চূড়ান্তপর্ব অনুষ্ঠিত হবে। এরপর এ আসর থেকে বাছাইকৃত চার জন ছাত্র-ছাত্রীকে (২ জন ছাত্র ও ২ জন ছাত্রী) স্পেনে ৪ মাসের জন্য বিশেষ দাবা প্রশিক্ষণে পাঠানো হবে। দেড় কোটি টাকা বাজেটের এ প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন দল দশ লক্ষ টাকা, রানার্রআপ দল পাঁচ লক্ষ টাকা ও তৃতীয়স্থান লাভকারী দলকে তিন লক্ষ টাকা অর্থ পুরস্কার দেয়া হবে।

আবুল খায়ের গ্রুপের পৃষ্ঠপোষকতায় বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনের আয়োজনে দেশব্যাপী অনুষ্ঠিতব্য মার্কস অ্যাকটিভ স্কুল দাবা চ্যাম্পিয়নশিপ উপলক্ষে সোমবার রেডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেন হোটেলের উৎসব হলে প্রধান অতিথি হিসেবে এ স্কুল দাবা প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল এমপি।

বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক, সাউথ এশিয়ান চেস কাউন্সিল ও বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনের সভপতি ড. বেনজীর আহমেদ-এর সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া সচিব মেজবাহ উদ্দিন। বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ শাহাবউদ্দিন শামীম, বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি ও বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনের যুগ্মসম্পাদক ড. শোয়েব রিয়াজ আলম ও গ্র্যান্ডমাস্টার নিয়াজ মোরশেদ।

জেলার পুলিশ সুপার, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক এবং অন্যান্য কর্মকর্তা ও স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা ভার্চুয়ালি জুমের মাধ্যমে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন এবং উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পূর্বে জেলায় দাবা কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। যেখানে স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের দাবা খেলা সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পূর্বে ৫০ জন স্কুল ছাত্র-ছাত্রীর সাথে দেশের তিন গ্র্যান্ডমাস্টার নিয়াজ মোরশেদ, জিয়াউর রহমান ও এনামুল হোসেন রাজীব সাইমলটোনিয়াস দাবায় অংশগ্রহণ করেন।

প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিতব্য এ স্কুল দাবা দলগত পর্যায়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রতিটি স্কুল হতে ৪ জন নিয়মিত ২ জন অতিরিক্ত খেলোয়াড় অংশ নেবে। প্রতিটি ম্যাচে চারটি বোর্ডে খেলা অনুষ্ঠিত হবে এবং একটি স্কুলের পক্ষে ৪ বোর্ডে চার জন খেলোয়াড় অংশগ্রহণ করবে। দুইদিনব্যাপী বাছাই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে প্রতিটি জেলায় ৮ হতে ১০টি দলকে নির্বাচিত করা হবে হোম এন্ড অ্যাওয়ে পদ্ধতিতে এ স্কুল দাবা প্রতিযোগিতার জন্য।

উল্লেখ্য জেলা পর্যায়ের পর বিভাগীয় পর্যায়ে স্কুল দাবা অনুষ্ঠিত হবে এবং সবশেষে বিভাগীয় পর্যায়ের বিজয়ীদের নিয়ে ঢাকায় চূড়ান্ত প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।